Support 4thPillars

×
  • আমরা
  • নজরে
  • ছবি
  • ভিডিও

  • বাংলায় ভোট, পর্ব 21- নির্বাচনী বন্ড, টাকার খেলা

    4thpillars ব্যুরো | 14-04-2021

    সুদীপ্ত সেনগুপ্তের সঙ্গে আলোচনায় সাংবাদিক রজত রায় এবং সাংবিধানিক আচরণ গ্রুপের জহর সরকার। 

    ভোটের খরচে স্বচ্ছতা আনার নামে মোদী সরকার চালু করেছে নির্বাচনী বন্ড। এর মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থা গোপনে রাজনৈতিক দলকে টাকা জোগাচ্ছে, যে টাকার হিসেব অন্য রাজনৈতিক দল, সাধারণ মানুষ, এমনকী কোম্পানির শেয়ার হোল্ডাররাও জানতে পারছে না। এই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির টাকা‌ই কি এমএলএ কেনাবেচা সহ ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় কুকাজে লাগছে? এই বিষয়ে www.4thpillars.com গত 13 এপ্রিল (মঙ্গলবার) একটি আলোচনার আয়োজন করেছিল। সুদীপ্ত সেনগুপ্তের সঙ্গে আলোচনায় সাংবাদিক রজত রায় এবং সাংবিধানিক আচরণ গ্রুপের জহর সরকার উপস্থিত ছিলেন। 

     

     

    1) নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এক উত্তুঙ্গ পর্যায়ে গেছে এই আমলে। কর্পোরেট সংস্থাগুলি মোটা অঙ্কের টাকা দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলিকে। কিন্তু কে কাকে এই টাকা দিচ্ছে, তা কেউ জানতে পারছে না।

     

    2) নির্বাচনী বন্ডে দেদার কালো টাকা সাদা হয়ে রাজনীতিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন নিয়মে কোনও কর্পোরেট কোম্পানি তাদের লভ্যাংশের 100% রাজনৈতিক বন্ডে জমা করতে পারে। দেশের বর্তমান শাসক দলের সঙ্গে এই কর্পোরেট সংস্থাগুলির যেন এক অলিখিত দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক। উভয়ই উভয়ের স্বার্থরক্ষা করছে।

     

    3) দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির যে ভূমিকা পালন করার কথা, তা তারা পালন করছে না। নির্বাচনী বন্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে শুনানি সুপ্রিম কোর্টে দিনের পর দিন পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনও নির্বিকার। এভাবে কি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব?

     

    4) স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলির মাথায় বিজেপি নিজেদের অনুগত লোককে বসাচ্ছে। সরকারের যাবতীয় দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারকে সেফগার্ড দিচ্ছে এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো৷ তবে, ইতিহাসের বিচারে কোনও কিছুই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। একদিন এই বিজেপিও থাকবে না। তখন কিন্তু তাদের যাবতীয় কেলেঙ্কারি সর্বসমক্ষে বেআব্রু হয়ে যাবে।

     

    5) বিরোধীরা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, তা নিয়ে চুপ। কারণ, তারা বেশি মুখ খুললেই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দ্বারা তাদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা হবে।

     

     

    6) তবে আশার কথা এই যে শাসক এবং বিরোধী পক্ষের বাইরেও তৃতীয় একটি কন্ঠস্বর খুব দ্রুত জনপরিসরে উঠে আসছে। এবং এই তৃতীয় স্বরকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কৃষকরা।

     

    7) বিজেপির মতো ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক দল এর আগে দেখা যায়নি। এরা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কী কী করতে পারে তা আমরা এখন সকলেই প্রত্যক্ষ করছি।


    4thPillars ব্যুরো - এর অন্যান্য লেখা


    কৃষকদের দাবি মেনে সরকারের আইন প্রত্যাহারের কোনও লক্ষণ নেই। দু'পক্ষই অনড়।

    মিডিয়ায় ঠিক ভুল যুক্তির বিচারে হোক, সংখ্যার জোরে নয়! শুধু ঝড়ের নামে নয়, সর্বর্ত্রই!

    গণতন্ত্রের এই বীভৎস বিকৃতির পরিণাম আদৌ কি ভেবে দেখেছেন কেউ?

    লকডাউন আর আনলকের তামাশার মানেটা কী?

    বাংলা দখল করলে বিজেপির উত্তরাপথ বিজয় সম্পূর্ণ হয়। অথচ বাংলায় দলের অতীত সামান্যই।

    জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে আলোচনার তৃতীয় দিনে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরী

    বাংলায় ভোট, পর্ব 21- নির্বাচনী বন্ড, টাকার খেলা-4thpillars

    Subscribe to our notification

    Click to Send Notification button to get the latest news, updates (No email required).

    Not Interested